Categories
জাতীয়

বনানীর সেই বাসায় জব্দ হলো যেসব বিদেশি মাদক

রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীর ১১ নম্বর সড়কের পাশে লেকঘেঁষা বিলাসবহুল ভবনের ৯ম তলায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ সেলিম সাত্তারকে আটকের ঘটনায় মামলা হয়েছে।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রো-উত্তরের গুলশান সার্কেলের ইন্সপেক্টর নাজমুল হোসেন খান বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বনানী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

গ্রেপ্তার সেলিম সাত্তার সুইজারল্যান্ড ও বাংলাদেশের দ্বৈত নাগরিক। জিএমজি গ্রুপভুক্ত সামাহ রেজর ব্লেডস ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালকও তিনি।

মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) সহকারী পরিচালক মো. মেহেদি হাসান জানান, ওই মামলায় আজই সেলিম সাত্তারকে আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ড আবেদন করা হবে। মামলাটি গুলশান সার্কেলের কর্মকর্তা নিযুক্ত করে তদন্ত করা হবে।

 

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা শাখার এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, নেদারল্যান্ডসের আমস্টার্ডার্ম থে‌কে এলএসডি ও এক্সটাসি, স্পেনের বার্সেলোনা থে‌কে কোকেন, যুক্তরাষ্ট্র থে‌কে কুশ (সিনথেটিক গাঁজা) এবং আইস ও ক্যানাবিস চকলেট ও বিদেশি মদ সংগ্রহ করতেন সেলিম সাত্তার। এই চক্রে কারা জড়িত, কিভাবে আকাশ পথে এসব বিদেশি মাদক আনা হতো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

তিনি আরও বলেন, সেলিম সাত্তারের বাসায় মাদক ছাড়াও যৌন উত্তেজক বিপুল পরিমাণ ট্যাবলেট পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এখানে মাদক বিক্রি ও সেবনের পাশাপাশি অসামাজিক কার্যকলাপ চলতো।

অভিযানে জব্দ বিপুল মাদক
মামলার তথ্যানুযায়ী অভিযানে জব্দ করা হয় ২০ বোতল বিদেশি মদ, ৩০ গ্রাম কোকেন, আইস পাঁচ গ্রাম, এক্সটাসি নামের এস.ডি.এম এ ট্যাবলেট ১৮৫ পিস, এলএসডি ২৯ ব্লটার, গাঁজা ৩০০ গ্রাম, সিনথেটিক ১২৫ গ্রাম, গাঁজার কেক বার (ক্যানাবিজ কেক) ১৬০ গ্রাম, শিশা ৭০০ গ্রাম, শিশা সেবনের দুই সেট হুক্কা। এছাড়া মাদক বিক্রির ১ লাখ ৬৭ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।

এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় অভিযান শেষে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ঢাকা মেট্রোর (উত্তর) উপ-পরিচালক রাশেদুজ্জামান বলেন, বিদেশি নতুন নতুন মাদকের কালেকশন দেশে নিয়ে আসতেন সেলিম সাত্তার। আর উচ্চবিত্তদের নিয়ে নিজের বাসাতেই বসাতেন মাদকের আসর। পুরো বাসাটি বিলাসবহুল বারের মতো সাজানো। এখানে মাদকের আসর বসতো। হতো মাদকের বেচাকেনাও। ফ্ল্যাটের মালিক বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

Categories
জাতীয়

বিএনপি এলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে: সিইসি

নির্বাচন সক্রিয় অংশগ্রহণমূলক হোক সেটি চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এমনটি জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, প্রতিটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলে ভোট সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হবে। কাউকে আমরা ধরে বেঁধে ভোটে আনব না। সেই দায়িত্বও আমাদের না। সবার প্রতি আমাদের উদাত্ত আহ্বান থাকবে— আপনারা নির্বাচনে আসেন।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি বড় রাজনৈতিক দল। তারা ভোটে এলে নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে। বিএনপির রাজনৈতিক কৌশল থাকতে পারে। তাতে আমরা হস্তক্ষেপ করব না, করতে পারি না। আমাদের সেই এখতিয়ারও নেই। বিএনপি যা চাচ্ছে সে ব্যাপারে আমাদের কোনো বাধা নেই। আমাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আমরা পালন করে যাব। কালকে আমাকে যদি কেউ উচ্ছেদ করে দেয়, হবে; অসুবিধার কিছু নেই। সে জন্য আমি মর্মাহত হব না।

সোমবার রাজধানীতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সিইসি বলেন, ইভিএমে ভোট কারচুপি সম্ভব নয়। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেছি, এ ধরনের শঙ্কা সঠিক নয়।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি। তাদের অনেকেই ইভিএমের বিরোধিতা করেছে। আবার কোনো কোনো দল ইভিএমের পক্ষে বলেছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, আমরা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি— ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) অনূর্ধ্ব ১৫০টি আসনে ভোট হবে। ১৫০টি আসনে ইভিএমে ভোট নেওয়া সম্ভব হবে কিনা সেটিও ভাববার বিষয়। কারণ মেশিনগুলো আসবে বিদেশ থেকে। আমরা আমাদের সিদ্ধান্তের বিষয়টি সরকারকে জানিয়ে দিয়েছি।

সিইসি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করতে হবে। রাজনৈতিক অংশীজনকে এগিয়ে আসতে হবে। এককভাবে নির্বাচন কমিশনের ওপর নির্ভর করা ঠিক হবে না। কারণ এটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। ইসি সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।

কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এখন যে এখতিয়ার ইসিকে দেওয়া হয়েছে, তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে প্রিসাইডিং অফিসারদেরও সক্রিয় ও সাহসী ভূমিকার রাখতে হবে।

Categories
জাতীয়

সংখ্যালঘুরা হামলার শিকার হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয়

বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক ও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এদেশে যখনই কোনো সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে তখনই ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ভারত সফরকে সামনে রেখে দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। এএনআইয়ের হয়ে সাক্ষাৎকার নিয়েছেন স্মিতা প্রকাশ। আজ রোববার এ সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে।

এএআই’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিজ দেশের হিন্দুদের ও বিশ্ব নেতাদের আশ্বস্ত করে শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার ধর্মনিরপেক্ষতার জোরালো সমর্থক। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে এমন যেকোনো ধরনের পদক্ষেপ চোখে পড়লে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হয় এখানে।

সাক্ষাৎকারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উগ্র চরমপন্থা শুধু বাংলাদেশেই নয়, বহু দেশে বিদ্যমান। ভারতও এই সমস্যার মোকাবিলা করছে। চরমপন্থা বেড়ে যাওয়ার একটি কারণ হিসেবে সোস্যাল মিডিয়াকে দোষারূপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তার মতে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি (সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে) সমাজে বাজে প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশের সরকার প্রধান বলেন, আমরা যতদিন ক্ষমতায় আছি ততদিন ধরেই বিভিন্ন ধর্ম-গোত্রের মানুষের সম্প্রীতিকে গুরুত্ব দিয়ে আসছি।  আমি তাদের (সংখ্যালঘু) বলে আসছি, আপনারা আমাদের দেশের জনগণ। আপনাদের উচিত এই দেশকে ওন করা।  কিন্তু কোনো কোনো সময় কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যায় যেগুলোর বিরুদ্ধে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি।

‘কোনো কোনো সময় এটি ঘটেছে, যেটি অপ্রত্যাশিত। আপনি ভালো করেই জানেন যে, শুধু বাংলাদেশে এমন কিছু ঘটে তা নয়; ভারতেও সংখ্যালঘুরা মাঝে মধ্যে ভুক্তভোগী হয়ে থাকেন।’

সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলোর পাশাপাশি তিস্তা চুক্তির প্রসঙ্গটি আসে। এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেগুলো এমন কিছু নয়, যা পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা যাবে না।

শেখ হাসিনা তার সাক্ষাৎকারে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে হওয়া গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন।

তথ্যসূত্র: এএনআই, টাইমস অব ইন্ডিয়া।

Categories
জাতীয়

টিসিবির জন্য আনা ২০০ টন পেঁয়াজ পচা, দুর্গন্ধে টেকা দায়

চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য আমদানি করা দুই হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজের মধ্যে ২০০ টন পচে গেছে। এ পচা পেঁয়াজের দুর্গন্ধে সৃষ্টি হয়েছে জনভোগান্তি।  

পচা পেঁয়াজ বাছাই করে ফেলা হয়েছিল চট্টগ্রাম টিসিবি কার্যালয়ের পাশে ডুবারপাড়ে। পচা পেঁয়াজের গন্ধ আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি এমন যে, দুর্গন্ধে টেকা দায়।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাতুল নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা ঢাকা পোস্টকে বলেন, দুই-তিন দিন ধরে এলাকায় পচা পেঁয়াজের দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। গন্ধে আশপাশের এলাকায় কেউ বসতে পারছে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে টিসিবি চট্টগ্রাম অফিসের প্রধান জামাল আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বলেন, পচা পেঁয়াজ মাটি চাপা দেওয়া হচ্ছে। মাটি চাপা দেওয়া হলে আর গন্ধ ছড়াবে না।

আগস্ট মাসে মোট ১১ লটে দুই হাজার ৮০০ টন পেঁয়াজ কনটেইনারে করে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছে। বিভিন্ন ধাপে সেগুলো চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান খালাস করে। কিন্তু শেষের দিকের ৯টি কনটেইনারে পচা পেঁয়াজ পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম টিসিবি জানিয়েছে, বাকি কনটেইনারের পেঁয়াজ ভালো ছিল। পচাগুলো বাছাই করে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

 

তুরস্ক থেকে আমদানি করে টিসিবিকে পেঁয়াজ সরবরাহের দায়িত্ব ছিল দেশি সরবরাহকারী ঢাকাভিত্তিক কিং স্টার করপোরেশনের।

টিসিবি বলছে, সরবরাহকারীর ভুলে এ অপচয় হয়েছে। তাই নষ্ট পেঁয়াজের দায়ভার কোনোভাবেই নেবে না টিসিবি। কারণ সরবরাহের শর্তই ছিল ভালো পেঁয়াজ নেওয়া হবে। এতে সরকারের এক টাকাও ক্ষতি হয়নি।

টিসিবি চট্টগ্রাম অফিসের প্রধান জামাল উদ্দিন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে শর্ত দেওয়া হয়েছিল শুধু ভালো পেঁয়াজই আমরা নেব। কিন্তু ৯টি কনটেইনার খুলে দেখা গেছে যে, সব পেঁয়াজই নষ্ট। ফলে কনটেইনার খুলে পেঁয়াজ নামিয়ে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান প্রথমে আমাদের অফিস চত্বরে রাখে। বাছাইয়ের পর পচাগুলো তারাই ফেলে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের চুক্তি ছিল, যেটুকু ভালো পাব, সেটুকুর টাকাই আমরা দেব। শিপিং ডকুমেন্ট দেরিতে পাওয়ার কারণে পেঁয়াজ নষ্ট হয়ে গেছে। যে প্রতিষ্ঠান পেঁয়াজ সরবরাহ করেছে, তারা এসে দেখেছে কী পরিমাণ পেঁয়াজ নষ্ট হয়েছে।

পচা পেঁয়াজের ফলে টিসিবি বা সরকারের এক টাকাও আর্থিক ক্ষতি নেই। পচা পেঁয়াজের সম্পূর্ণ দায়িত্ব সররাহকারী প্রতিষ্ঠানের- যোগ করেন জামাল উদ্দিন।

Categories
জাতীয়

‘কোনো শিক্ষক নিজ ক্লাসের শিক্ষার্থীকে কোচিং করাতে পারবেন না’

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, নিজের ক্লাসের কোনো শিক্ষার্থীকে কোনো শিক্ষক কোচিংয়ে পড়াতে পারবেন না। এ বিষয়টি ইতোমধ্যে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

শুক্রবার সকালে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে আয়োজিত বিসিবি কাউন্সিলর কাপ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, কিছু কিছু সময় শিক্ষার্থীদের কোচিং কিছুটা দরকার হয়। কারণ দেশে-বিদেশে বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতির দরকার হয়। পাশাপাশি আমাদের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি এবং সেখানে প্রত্যেক শিক্ষকের পক্ষে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে ভালোভাবে নজর দেওয়া সম্ভব হয় না অনেক সময়। তাতে অনেকে হয়তো কিছুটা পিছিয়ে পড়তে পারে।

তিনি বলেন, অনেকের বাড়িতে বাবা-মা কর্মজীবী হওয়ায় বাড়িতে সহযোগিতার দেওয়ার মতো কেউ নেই। সে ক্ষেত্রে কখনো কখনো কোচিংয়ের দরকার হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তার বিকল্প হিসেবেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক কোচিংয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে যেটি অনৈতিক, যে নিজের ক্লাসে না পড়িয়ে বাড়িতে বা কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করে এবং সেখানে না পড়লে তাকে হয়তো ফেল করিয়ে দেয় বা কম নম্বর দেয় এই অংশটুকু একেবারেই অনৈতিক। এটি আইনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আয়োজিত অনুষ্ঠানে টুর্নামেন্টের উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিবির বোর্ড পরিচালক আকরাম খান। আরও উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান ও পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, বিসিবির বোর্ড কাউন্সিলর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ওই  টুর্নামেন্টের আয়োজক জাহিদুল ইসলাম রোমান, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বাবু প্রমুখ।

Categories
জাতীয়

সারা বিশ্বে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী

কোভিডের অভিঘাত, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও রাশিয়াকে ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ আরোপের কারণে বিশ্বজুড়ে দুর্ভিক্ষ দেখা দিতে পারে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এমন বাস্তবতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাশ্রয়ী হওয়া, মিতব্যয়িতা ও খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন তিনি।

ঢাকার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার সকালে ইনস্টিটিউট অফ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের ২৪তম জাতীয় সম্মেলন এবং ৪৩তম কাউন্সিল অধিবেশনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত ছিলেন সরকারপ্রধান।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যে সারা বিশ্বে একটা দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি আমরা দেখতে পাচ্ছি, এর প্রভাব থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। তাই এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। যার পক্ষে যা সম্ভব, তা যেন উৎপাদন করে।

ছাদবাগানের প্রতি উৎসাহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে যদি কিছু উৎপাদন করা যায়, তাহলে বাজারের ওপর চাপ কম পড়বে।

তিনি বলেন, আবারও বলব, উৎপাদন বাড়ানোর দিকে সবাই সক্রিয় হোন, যাতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার ধাক্কায় বাংলাদেশের মানুষ কষ্ট না পায়। আমাদের ব্যবস্থা আমাদের নিজেদের করে নিতে হবে।

‘এখন থেকে আমাদের সবাইকে কৃচ্ছ্রসাধন করতে হবে। সঞ্চয় করতে হবে। কোনো কিছুতেই যেন আমরা অতিরিক্ত ব্যয় না করি, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি দিনে দিনে এত খারাপের দিকে যাচ্ছে, আপনি যুক্তরাষ্ট্র বলেন, ইউরোপ বলেন, ইংল্যান্ড বলেন প্রতিটি জায়গায় কিন্তু…আজকে সেখানে তারা বিদ্যুৎ দিতে পারছে না, পানির ব্যবহার সীমিত করে দিতে নির্দেশ দিচ্ছে।

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

Categories
জাতীয়

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সংস্থা সবচেয়ে বেশি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ খাত: টিআইবি

দেশের সেবা খাতে ২০২১ সালে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থায়। এখানে সেবা নিতে গিয়ে ৭৪ দশমিক ৪ শতাংশ খানা (পরিবার বা ছোট গোষ্ঠী বিশেষ) কোনো না কোনোভাবে দুর্নীতির শিকার হয়েছে।

দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে এরপরই রয়েছে পাসপোর্ট অধিদফতর ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।এরপরে রয়েছে- বিচারিকসেবা, স্বাস্থ্যসেবা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান ও ভূমি।

টিআইবির ‘সেবা খাতে দুর্নীতি : জাতীয় খানা জরিপ ২০২১’-এ উঠে এসেছে এসব তথ্য। বুধবার রাজধানীর ধানমণ্ডির টিআইবি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির গবেষক ফারহানা রহমান এ তথ্য পেশ করেন।

দুর্নীতি ও ঘুষের ওপর ভিত্তি করে জরিপের ফলের ভিত্তিতে এ চিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২০ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের সেবার ওপর এই জরিপ করা হয়।

এ সময় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, সেবা খাতে দুর্নীতিতে কিছুক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন এলেও সার্বিক তথ্য উদ্বেগজনক। বিচারিক খাতের দুর্নীতিও উদ্বেগজনক। যারা অনিময় করছেন, তারা ঘুসকে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ করেছেন। যারা দিচ্ছেন তারা জীবনযাপনের অংশ করে নিয়েছেন।

Categories
জাতীয়

চাল, তেল, ডালসহ ৯ পণ্যের দাম নির্ধারণ করে দেবে সরকার

চাল, আটা, ময়দা, ভোজ্যতেল, চিনি, মসুর ডালসহ মোট ৯টি পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দেবে সরকার।

মঙ্গলবার বাজারে পণ্যের সরবরাহ, মজুত ও আমদানি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।  বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চাল, আটা, ময়দা, তেল, চিনি, মসুর ডাল, ডিম, সিমেন্ট, রডের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কেউ অতিরিক্ত দামে বিক্রি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। এখন থেকে কোনো জরিমানা নয়, সরাসরি মামলা করা হবে বলেও হুশিয়ারি দেন তিনি।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে এই ৯টি পণ্যের মূল্য নিয়ে হিসাব-নিকাশ করবে। পরে একটি যৌক্তিক দাম নির্ধারণ করা হবে।

ব্রিফিংয়ে বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান মাহফুজা আখতার, এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুল আলম, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান মো. মফিজুল ইসলাম, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামানসহ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন

Categories
জাতীয়

বাংলাদেশ কখনই শ্রীলংকা হবে না, হতে পারে না: প্রধানমন্ত্রী

print sharing button

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃঢ়তার সঙ্গে বলেছেন, ‘বাংলাদেশ তার উন্নয়নের ধারা থেকে কখনোই শ্রীলংকার মতো পরিস্থিতিতে পতিত হবে না, বরং সব বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যাবে।’প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা কথা মনে রাখবেন (দলের নেতাকর্মীদের) যে- বাংলাদেশ কখনই শ্রীলংকা হবে না, হতে পারে না।’

১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে কেউ কেউ শ্রীলংকা বানাচ্ছে বাংলাদেশকে। আমি আপনাদের একটা কথা জানাতে চাই, যেহেতু আপনারা আমাদের নেতাকর্মী তাই আপনাদের এ কথাটা শুনতে ও জবাব দিতে হয়। আপনারা একটা কথা মনে রাখবেন- বাংলাদেশ কখনো শ্রীলংকা হবে না, হতে পারে না। ’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশের যে পরিস্থিতি, তাতে শ্রীলংকা হয়েই গিয়েছিল ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে বিএনপির শাসনামলে।’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘সে সময় পাঁচ বার দেশ দুর্নীতি চ্যাম্পিয়ন হয়, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুৎ ও পানির জন্য হাহাকার, মানুষের কর্মসংস্থান নাই, তার ওপর জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস, ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা, সারা দেশে বোমাহামলা, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াকে হত্যাসহ বিভিন্ন জায়গায় গ্রেনেড হামলা। আর তখনই মানুষ আন্দোলনে রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়। কাজেই শ্রীলংকার সেই অবস্থান থেকে তো বাংলাদেশকে উদ্ধার করে নিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছি। কাজেই আজকের বাংলাদেশ কেন শ্রীলংকা হবে?’

তিনি বলেন, আমাদের যে অর্থনীতির গতিশীলতা সেটা যেন অব্যাহত থাকে এবং অর্থনৈতিকভাবে আমাদের দেশটা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সেজন্য সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নিয়ে তার সরকার এগোচ্ছে।

দেশের সার্বিক উন্নয়ন বিবেচনাতেই তার সরকার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিরাট অংকের উন্নয়ন প্রকল্প এটা নিলে পরে বিরাট অংকের একটা কমিশন পাব, সে কথা চিন্তা করে শেখ হাসিনা কোনো প্রকল্প নেয় না।

ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু আহমেদ মান্নাফীর সভাপতিত্বে আলোচনা সঞ্চালনা করেন ঢাকা উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এসএম মান্নান কচি।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ঢাকা উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উত্তর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাদেক খান, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল, সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এমএ কাদের খান, দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শহীদ সেরনিয়াবাত প্রমুখ।

শহিদদের স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালনের মধ্যদিয়ে আলোচনা সভা শুরু হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ কেবল উন্নয়নশীল দেশেই উন্নীত হয়নি। আমরা স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ উৎক্ষেপন করেছি, বিশ্বব্যাংকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নিজেদের টাকায় পদ্মা সেতু নির্মাণ করেছি এবং করোনার মধ্যে অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু শুধু সেতুই নয়, এই সেতু হচ্ছে বাংলাদেশ গর্ব, সম্মান এবং আত্মমর্যাদাবোধের প্রতীক। কারণ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে আমরা অস্ত্র হাতে তুলে নিয়ে যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছি, আমরা বিজয়ী জাতি। আমরা কারো কাছে মাথা নোয়াব না, হেরে যাব না। আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে লাভ নেই।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনার পর যুদ্ধ (রাশিয়া-ইউক্রেন) এবং একে ঘিরে নানারকম স্যাংশনের পরিপ্রেক্ষিতে উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য বাজেট বরাদ্দে দেশ এবং জনগণের প্রয়োজনানুপাতে বাস্তবায়নের জন্য এবিসিডি ধাপ করে দিয়েছেন যাতে কোনটার পর কোনটা বাস্তবায়িত হবে।

তিনি বলেন, তার সরকার ‘ধার করে ঘি খাওয়ার নীতি’তে যেমন বিশ্বাসী নয়, তেমনি বাংলাদেশের যে ঋণ রয়েছে- তা সময়মতো পরিশোধ করতে থাকায় এসব বিষয়েও কোনো সমস্যার তিনি আশঙ্কা করছেন না।

Categories
জাতীয়

নিবন্ধন পরীক্ষায় আইসিটি শিক্ষকদের আবেদনের সুযোগ দিতে নির্দেশ

তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব ও এনটিআরসির  চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট চার জনকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। সোমবার বিচারপতি কাশেফা হোসেন ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট  বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী মনিরুল ইসলাম মিয়া।

এনটিআরসিএ’র পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান ভূইয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নূর উস সাদিক।

রায়ের পর ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া বলেন, এনটিআরসিএ তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তির ধারাবাহিকতায় বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠানে, বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি-২০২২ প্রকাশ করে। গত ৬ ফেব্রুয়ারি  বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) গণবিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি ও ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বিভাগে এমপিও নন-এমপিও পদের জন্য মোট ১৫ হাজার ১৬৩টি ফাঁকা আসনের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর মধ্যে এমপিওভুক্ত ১২ হাজার ৮০৭টি এবং নন-এমপিওভুক্ত ২ হাজার ৩৫৬টি আসনের জন্য অনলাইন আবেদন গ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ওই বিজ্ঞপ্তিতে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য আবেদনের  কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।

পরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি (আইসিটি) পদে বিভাগীয় প্রার্থী হিসেবে এনটিআরসিএ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আবেদনকারীদের আবেদন করার সুযোগ প্রদানের নির্দেশনা চেয়ে তথ্য যোগাযোগ ও প্রযুক্তি বিষয়ে এমপিওভুক্ত ১০১ জন শিক্ষক রিট দায়ের করেন।

বিভিন্ন জেলার ওসমান গণি, সুদেব চন্দ্র পাল, গিতা, মোছা. রিক্তা খাতুন, আরিফুল ইসলাম, মো. আব্দুল্লা হিল বাকি, মো. শাহিনুর রহমান, সমিরন মজুমদার, মন্টুলাল সরকার, সুরেন মন্ডলসহ ১০১ জন এ রিট দায়ের করেন।

রিটের শুনানি নিয়ে আদালত গত ২০ ফেব্রুয়ারি রুল জারি করেছিলেন। আজ রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিলেন হাইকোর্ট।