Categories
প্রযুক্তি

বাজারে আসছে ১০৮ মেগাপিক্সেলের রিয়েলমি ৯

রিয়েলমি আগামী ২২ মে দেশের বাজারে উন্মোচন করতে যাচ্ছে ব্র্যান্ডটির নতুন স্মার্ট ডিভাইস রিয়েলমি ৯ ফোরজি। রিয়েলমি ৯ ফোরজি ডিভাইসটিতে থাকছে বাংলাদেশের প্রথম স্যামসাং ISOCELL HM6 ভিত্তিক ১০৮ মেগাপিক্সেল প্রোলাইট ক্যামেরা।

৬৪ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করা হয়েছে এমন স্মার্ট ডিভাইসগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিলো রিয়েলমি ৮। রিয়েলমি ৯ ডিভাইসটির মাধ্যমেও প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহারকারীদের জন্য যুগান্তকারী স্মার্টফোন প্রযুক্তি আনতে যাচ্ছে।

সর্বাধুনিক নোনাপিক্সেল প্লাস প্রযুক্তি পুরাতন ৩সাম-৩এভিজি সল্যুশন থেকে একটি অভূতপূর্ব ৯সাম রিডআউট সল্যুশনে উন্নীত করা হয়েছে, যা রিয়েলমি ৯ ফোন দিয়ে তোলা ছবিগুলোতে দুর্দান্ত ব্রাইটনেস নিয়ে আসবে। নোনাপিক্সেল প্লাস প্রযুক্তির ৯সাম পিক্সেল বিনিং সল্যুশন স্যামসাং ISOCELL HM2 ইমেজ সেন্সরের তুলনায় ১২৩ শতাংশ পরিমাণ সামগ্রিক আলো গ্রহণের বিষয়টিকে নিশ্চিত করবে। আসল ছবির সাথে তুলানামূলক বিশ্লেষণের পর প্রতিষ্ঠানটি দেখতে পায় রিয়েলমি ৯ ডিভাইস দিয়ে লো-লাইটে ছবি তুললে এটি উন্নত কালার রিপ্রোডাকশন সহ আরো উজ্জ্বল ছবি তোলার বিষয়টিকে নিশ্চিত করে।

ব্যবহারকারীদের হাই-কোয়ালিটি ছবি তোলার অভিজ্ঞতা প্রদানের জন্য রিয়েলমি ৯ HM6 সেন্সরে ইন-সেন্সর আল্ট্রা-জুম প্রযুক্তি ব্যবহার করে এতে একটি মার্জিং অ্যালগরিদমের সাথে একটি চমৎকার জুম-ইন শট তৈরি করে, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা দৃশ্যবস্তুর কাছে যেয়ে তাদের পছন্দমতো নিখুঁত ও সুন্দর কম্পোজিশনের ছবি তুলতে পারবেন। শক্তিশালী ক্যামেরা ছাড়াও, এ ডিভাইসটিতে ৯০ হার্টজ সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এতে সুপার পাওয়ার অ্যাফিশিয়েন্ট আধুনিক ৬ ন্যানোমিটারের স্ন্যাপড্রাগন ৬৮০ প্রসেসরও ব্যবহার করা হয়েছে।

এছাড়াও, আগামী ২২ মে রিয়েলমি আনুষ্ঠানিকভাবে রিয়েলমি সি৩৫ ডিভাইসটিও উন্মোচন করবে।

Categories
প্রযুক্তি

দুই মডেলের সিপিইউ লিকুইড কুলার বাজারে ছাড়লো ওয়ালটন

দেশের প্রযুক্তিপণ্যের বাজারে একের পর এক চমক নিয়ে আসছে ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। বাংলাদেশে নিজস্ব কারখানায় বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস, এক্সেসরিজ তৈরি ও বাজারজাত করছে ওয়ালটন। এরই ধারাবাহিকতায় এবার দুই মডেলের সিপিইউ লিকুইড কুলার বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন।

ডেক্সটপ কম্পিউটারের এই লিকুইড কুলারগুলো যেমন দৃষ্টিনন্দন ডিজাইনে সমৃদ্ধ, তেমনি অত্যাধুনিক সব ফিচারে ভরপুর। একাধিক ফ্যানসহ কপার বেইসে প্লাস্টিক বডিতে তৈরি এসব কুলারে ব্যবহৃত হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম রেডিয়েটর, যা নিশ্চিত করছে সর্বোচ্চ কুলিং পারফরমেন্স।

ওয়ালটন কম্পিউটার বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, তাদের পাওয়ার ডিভাইস ব্র্যান্ড ‘আর্ক’ এর প্যাকেজিং-এ বাজারে আসা লিকুইড কুলার দুটির মডেল ডব্লিউএলসি১২০বি (WLC120B) এবং ডব্লিউএলসি২৪০বি (WLC240B)। দেশের যে কোনো ওয়ালটন প্লাজা, ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম, আইটি ডিলার, কম্পিউটার ডিলার শোরুম এবং ই-প্লাজা থেকে লিকুইড কুলার কেনা যাচ্ছে। দাম যথাক্রমে ৫ হাজার ৮৫০ টাকা এবং ৮ হাজার ৫৫০ টাকা।

ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিএমডি এবং কম্পিউটার বিভাগের ইনচার্জ প্রকৌশলী লিয়াকত আলী বলেন, ক্রেতাদের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও ফিচারের সাশ্রয়ীমূল্যের ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে ওয়ালটন। কম্পিউটারের সিপিউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারণ এয়ার কুলার সিপিউ ঠান্ডা রাখতে কম কার্যকরী। তাই মানুষ এখন লিকুইড কুলার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকছে। গ্রাহকদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতেই লিকুইড কুলার বাজারে ছাড়া হয়েছে। এর ফলে কম্পিউটার ব্যবহারে ক্রেতার ভোগান্তি হ্রাস পাবে। সিপিইউ কুলিং সিস্টেম বা শীতল রাখার পদ্ধতি যত উন্নত হচ্ছে, কম্পিউটার তত শক্তিশালী হচ্ছে। ওয়ালটনের লিকুইড কুলার ব্যবহারে দীর্ঘসময় সিপিইউ চালু থাকলেও অতিরিক্ত গরম হবে না। আরামদায়কভাবে কম্পিউটার ব্যবহার করা যাবে।

ওয়ালটন কম্পিউটার ও আইটি এক্সেসসরিজের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান রাদ জানান, লিকুইড কুলিং সিস্টেম কম্পিউটারের প্রসেসরের জন্য রেডিয়েটর হিসেবে কাজ করে। প্রসেসর থেকে তাপ শোষণ করে পিসির বাইরে পাঠিয়ে দিয়ে প্রসেসরকে ঠান্ডা রাখার এটি একটি দারুণ কার্যকর যন্ত্রাংশ। এতে পিসির কার্যক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনই দীর্ঘদিন সার্ভিস দেয়।

তিনি জানান, ওয়ালটন লিকুইড কুলারে ব্যবহৃত হয়েছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ডিজিটাল লাইটিং সিরিজের রেডিয়েটর এবং কুলিং ফ্যান, যা নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ এয়ারফ্লো। এতে ডেক্সটপ পিসির কার্যক্ষমতা অক্ষুন্ন থাকে। এর অ্যারো-ডায়নামিক ফ্যানের নয়েজ লেভেল খুবই কম। শতভাগ নিচ্ছিদ্র ওয়ালটন লিকুইড কুলার সহজেই ইনস্টল করা যায়। ওয়ালটনের ‘আর্ক’ লিকুইড কুলারে গ্রাহকরা পাচ্ছেন ২ বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি।

Categories
প্রযুক্তি

২০২২ গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস কনজ্যুমারস চয়েস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করল হুয়াওয়ে

সম্প্রতি ডব্লিউএএন এজ ইনফ্রাস্ট্রাকচারের জন্য ২০২২ গার্টনার পিয়ার ইনসাইটস কনজ্যুমারস চয়েস হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে হুয়াওয়ে। এ নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি টানা তৃতীয়বারের মতো এ স্বীকৃতি অর্জন করেছে। হুয়াওয়ে এসডি-ডব্লিউএএন ভয়েস অব দ্য কাস্টমার প্রতিবেদনের তিনটি বিভাগে ‘কাস্টমারস চয়েস’ এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। বিভাগগুলো হলো : মিডসাইজ এন্টারপ্রাইজ, এশিয়া/প্যাসিফিক, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা (ইএমইএ)।

গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফাইন্যান্স, ম্যানুফেকচারিং ও সেবা খাতের মতো বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রির গ্রাহকরা সামগ্রিকভাবে প্রোডাক্ট ফাংশনালিটি, ডেপ্লয়মেন্ট, ওঅ্যান্ডএম এবং সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ভেন্ডরদের কাছ থেকে ডব্লিউএএন এজ অবকাঠামোর পণ্য ও সল্যুশনগুলো রিভিউ করেছে। ভয়েস অব দ্য কাস্টমারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হুয়াওয়ে এসডি-ডব্লিউএএন সর্বমোট ১০২টি রিভিউ গ্রহণ করেছে এবং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন খাতের গ্রাহকদের কাছ থেকে সামগ্রিকভাবে ৪.৯/৫ স্টার অর্জন করেছে।

প্রথমবারের মতো তথ্যপ্রযুক্তি গবেষণা ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান গার্টনার ইউজার ইন্টারেস্ট, অ্যাডপশন ও ওভারঅল রেটিংয়ের ওপর ভিত্তি করে চারটি বিষয়ের উপরে ডব্লিউএএন এজ ইনফ্রাস্ট্রাকচার ভেন্ডরদের ক্যাটাগরি করেছে। উইলিংনেস টু রেকমেন্ড এর ক্ষেত্রে হুয়াওয়ে শতভাগ স্কোর অর্জন করেছে এবং সামগ্রিকভাবে সর্বোচ্চ ৪.৯/৫ স্টার স্কোর প্রাপ্তির গৌরব অর্জন করে।

Categories
প্রযুক্তি

সাড়া ফেলেছে হুয়াওয়ে মেটবুক ডি১৫

চীনা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের মেটবুক ডি১৫। ইনটেলের ১১তম জেনারেশন কোরআই৫ প্রসেসরে তৈরি হুয়াওয়ের আগের যেকোনো প্রজন্মের কম্পিউটারের তুলনায় অধিকতর স্মার্ট ও উন্নত ফিচারসমৃদ্ধ নতুন এই মেটবুকটি।

হুয়াওয়ে মেটবুক ডি১৫-তে মাল্টি-স্ক্রিন কোলাবোরেশন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়ার, ডুয়েল-অ্যান্টেনা ওয়াই-ফাই ৬ এবং রিভার্স চার্জিংয়ের মতো উদ্ভাবনী সব প্রযুক্তিগুলো যুক্ত করা হয়েছে। আগের তুলনায় দ্রুত গ্রাফিক্স প্রসেসিং ক্ষমতার প্রদানের লক্ষ্যে এতে ইনটেল আইরিস এক্সই গ্রাফিক্স কার্ড রয়েছে।

মেটাল বডির মিনিমালিস্ট ডিজাইনে তৈরি হুয়াওয়ের নতুন মেটবুকটিতে একটি ১৫ ইঞ্চি ফুল এইচডি আইপিএস অ্যান্টি-গ্লেয়ার ডিসপ্লে একিভূত রয়েছে। যার ৮৭% স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও এবং ১৬:৯ অ্যাসপেক্ট রেশিও ভিউয়িংয়ের ক্ষেত্রে সিনেমাটিক অভিজ্ঞতা দেবে। স্লিম ডিজাইনের ১ কেজি ৫৬০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি মেটবুক ডি১৫-তে বৈচিত্র্যপূর্ণ পোর্টের সমাহার রয়েছে।

 

হুয়াওয়ের সুপারচার্জ সমর্থিত মেটবুক ডি১৫ বন্ধ থাকা অবস্থায়ও রিভার্স চার্জিং সুবিধা পাওয়া যাবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট পাওয়ার বাটন, রিসিজড ক্যামেরা এবং অন্যান্য উন্নত ফিচার মেটবুক ডি১৫-কে অধিকতর ব্যবহারকারীবান্ধব ডিভাইস করে তুলবে।

Categories
প্রযুক্তি

আমাদের জীবন এবং বিজ্ঞান

বর্তমান যুগ বিজ্ঞানের জয়যাত্রার এক যুগান্তকারী যুগ। বিজ্ঞানের বদৌলতে মানুষ আজ ছুটে চলেছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে। বিজ্ঞান মানুষকে দিয়েছে অভাবনীয় গতি , সভ্যতার অগ্রযাত্রাকে করেছে দুততর ও বহুমাত্রিক। বিজ্ঞান ঘুচিয়ে দিয়েছে দূর – দূরান্তরের ব্যবধান ; মানুষকে দিয়েছে অনিঃশেষ সম্ভাবনা। মানবসভ্যতায় বিজ্ঞান ও প্রাচীনকালে গুহাবাসী মানুষ ছিল প্রকৃতির হাতের অসহায় ক্রীড়নক। আদিম মানুষ যখন প্রথম পাথর দিয়ে হাতিয়ার তৈরি করে , পাথরে পাথর ঘষে আগুন জ্বালায় তখন থেকেই শুরু হয় মানুষের বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার। তারপর যুগ যুগ ধরে বিজ্ঞানকে ব্যবহার করেই মানুষ সমগ্র পৃথিবীর ওপর বিস্তার করেছে কর্তৃত্ব।

বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে দিকে এগিয়েছে । অতীতের সাথে বর্তমান পৃথিবীর সংশয় থাকে না। কিন্তু এই উন্নতির পেছনে অসংখ্য বিজ্ঞানীর অবদান সম্পর্কে চিন্তা করলে আপনা থেকেই আমাদের মাথা নত হয়ে আসে। সত্য কথা বলেছিলেন বলে ব্রুনােকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল , ল্যাভয়সিয়েকে হত্যা করা হয়েছিল গিলােটিনে। মহান বিজ্ঞানী আর্কিমিডিস , কোপর্নিকাস , গ্যালিলিও প্রমুখ অসংখ্য বিজ্ঞানী তাঁদের সমগ্র জীবন বিজ্ঞানের পিছনে ব্যয় করেছেন। তাঁদের অক্লান্ত সাধনার পরিপ্রেক্ষিতেই বর্তমানে মানুষ এক বিজ্ঞানের যুগে উন্নীত হয়ে সক্ষম হয়েছে।

বিজ্ঞান মানবসভ্যতার উন্নতির সর্ববৃহৎ হাতিয়ার। কিন্তু তাই বলে বিজ্ঞান শুধু মানুষের উপকারই করেনি। স্বয়ংক্রিয় বৈজ্ঞানিক যন্ত্র মানুষের কাজ সম্পাদন করতে শুরু করার পরপরই অসংখ্য মানুষ বেকারে পরিণত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক যন্ত্রসংবলিত বড় বড় শিল্প – কারখানা ও মােটরচালিত গাড়ি ও যন্ত্রপাতি, বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহূত বিভিন্ন তেজস্ক্রিয় পদার্থ অনেক সময় পরিবেশ ও মানুষের ক্ষতি করছে। পরিবেশদূষণের ফলে পৃথিবীর উত্তাপ বেড়ে যাচ্ছে ও মেরুথয়ের বরফ গলা শুরু করছে। মানুষ বিজ্ঞানের অপব্যবহার দেখে চমকে উঠেছিল দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়। তখন পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে হিরােশিমা – নাগাসাকির মতো শহর ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রশ্ন উঠেছে — বিজ্ঞান আশীর্বাদ না অভিশাপ ?

বিজ্ঞানের অপপ্রয়ােগ হলেও বিজ্ঞানের অবদানকে মানুষ কখনােই অস্বীকার করতে পারবে না। সচেতন শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের কাজ হলাে বিজ্ঞানের সার্থক ও ইতিবাচক প্রয়ােগ ঘটানাে। বিজ্ঞানের আলােকে মানবজীবনকে আলােকিত করা। বিজ্ঞানের অপব্যবহার রােধে সচেতন হয়ে বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে পারলে তা মানব জীবনে আরও ফলপ্রসূ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

 

মোহাঃ হাসানুজ্জামান

সহকারী শিক্ষক ( বিজ্ঞান)

গাংনী পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ।

Categories
প্রযুক্তি

বন্ধ হয়ে গেল ‘অ্যালেক্সা ডটকম’

পূর্বনির্ধারিত ঘোষিত দিনেই বন্ধ হয়ে গেলে ওয়েবসাইট অ্যানালাইসিসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যালেক্সা ডটকম।

২০২২ সালের পহেলা মে বন্ধ হওয়া কথা ছিল ওয়েবসাইটির।

অ্যালেক্সা ডটকম এক নোটিশে জানিয়েছে, গত ১ মে থেকে তাদের সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এরই সঙ্গে দীর্ঘ ২৫ বছরের পরিষেবা শেষে বন্ধ করল অ্যামাজনের মালিকানাধীন এই প্রতিষ্ঠান।

অ্যালেক্সা তাদের নোটিশে লিখেছে, দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আপনার ডিজিটাল শ্রোতাদের খুঁজে পেতে, পৌঁছাতে এবং রূপান্তর করতে সাহায্য করার পর আমরা ২০২২ সালের ১ মে -তে Alexa.com-কে অবসর নিয়েছি। বিষয়বস্তু গবেষণা, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্লেষণ, কীওয়ার্ড রিসার্চ এবং আরও অনেক কিছুর জন্য আমাদেরকে আপনার কাছে যাওয়ার সংস্থান করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

বন্ধ করে দেওয়ার কারণ হিসেবে এর আগে অ্যালেক্সা থেকে জানানো হয়েছিল, কৌশলগত ব্যবসায়িক পরিকল্পনার কারণেই দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে অ্যালেক্সা তাদের গ্রাহকদের উন্নত সেবা দেওয়ার পরও অ্যামাজন এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

এর পর থেকে প্রতিষ্ঠানটিতে যাদের দীর্ঘমেয়াদি সাবস্ক্রিপশন নেওয়া ছিল কেবল তারাই চলতি বছরের ১ মে  পর্যন্ত সাবস্ক্রিপশনের সুবিধা পেয়েছেন। বন্ধ হওয়ার পূর্বেই ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য ডাউনলোড করে রাখার পরামর্শ দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

ডিজিটাল এই সময়ে অ্যালেক্সা ডটকম এখন সবার কাছেই পরিচিত। ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করে অ্যালেক্সা। ১৯৯৯ সালে এটির অধিগ্রহণ করে অ্যামাজন।ওয়েবসাইটের ট্রাফিকসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা পাওয়া যেতো অ্যালেক্সায়। এছাড়াও বিশ্বের ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে কোন সাইটের র‌্যাংক কত তাও দেখা যেতো অ্যালেক্সায়।

তবে অ্যালেক্সা তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ায় আর সেই সুযোগ থাকছে না।

Categories
প্রযুক্তি

হুয়াওয়ের ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ কর্মসূচি উদ্বোধন

শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেছেন, অনেক বিদেশি প্রযুক্তি কোম্পানি বাংলাদেশে ব্যবসা করছে। কিন্তু খুব কম প্রতিষ্ঠানই শুধুমাত্র ব্যবসার তাগাদা থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের তরুণদের, আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে দক্ষ হতে সহায়তা করছে। হুয়াওয়ে এক্ষেত্রে অন্যদের থেকে আলদা হয়ে তরুণদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

হুয়াওয়ের ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২২, বাংলাদেশ’  -এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গত রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর ইউ লিউয়েন, হুয়াওয়ে বাংলাদেশ (টেকনোলজিস) লিমিটেডের সিইও প্যান জুনফেং এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশের বোর্ড মেম্বার জেসন লি জংশেং, অধ্যাপক আল মামুন, অধ্যাপক ফজলে এলাহী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আইসিটি বিষয়ে আগ্রহী দেশের সকল শিক্ষার্থীদের আরও আগ্রহী করে তুলতে এবং এই শিল্পখাত সম্পর্কে সম্যক ধারণা দিতে বাংলাদেশে ২০১৪ সাল থেকে প্রতি বছর হুয়াওয়ে এই প্রোগ্রামটি আয়োজন করে থাকে। এই বছর নয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে এবং সর্বশেষ বিজয়ীরা পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন দেশের অন্যান্য বিজয়ীদের সাথে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্মে অংশগ্রহণ করবে। এর মাঝে তারা হুয়াওয়ের একটি গ্লোবাল ট্রেনিংয়েও অংশ নেবে।