Categories
রাজনীতি

প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে কিছু নিয়ে আসতে পারেন না : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রত্যেকবার ভারত সফরে গিয়ে দিয়ে আসেন, কিছু নিয়ে আসতে পারেন না। 

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাবেক অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি। সভার আয়োজন করে সাইফুর রহমান স্মৃতি পাঠাগার।

মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সুতরাং একই পয়েন্ট, তিনি আগে ঘুরে আসুক। কী আসে দেখি। তারপর কমেন্ট করবো।

আমরা আজকে অত্যন্ত কঠিন সময় অতিক্রম করছি উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এ সময় সাইফুর রহমান আমাদের সঙ্গে থাকলে  রাজনৈতিকভাবে সহযোগিতা করতেন। আওয়ামী লীগ সরকার যে এখন একটি ভ্রান্ত উন্নয়ন দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে, সেটার আসল চেহারা উদঘাটন করতে সক্ষম হতেন তিনি। এই সরকারের যে মূল চেহারা সেটাকেও উন্মোচন করতেন তিনি।

রিজার্ভ সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গ টেনে বিএনপির মহাসচিব বলেন, যে কাজটা দশ হাজার টাকায় করা যায়, সেটা তারা পঞ্চাশ হাজার টাকা খরচ করে করছে। বাকি চল্লিশ হাজার টাকা সরকার নিজেরা চুরি করে খাচ্ছে।

সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইফুর রহমান পড়াশোনা করেছিলেন হিসাববিজ্ঞানের ওপর। সে কারণেই কোনটা করলে লাভ হবে, আর কোনটা করলে লাভ হবে না, আর কোনটা করলে দেশ ঋণগ্রস্ত হবে সেটা তিনি ভালো জানতেন। আর কোনটা করলে অনেক বেশি লাভবান হব, সেটা তিনি খুব ভালো করে জানতেন। সেই কারণে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নিয়েছিলেন।

সাইফুর রহমান যে কাজটা দেশের জন্য ভালো মনে হতো সেটাই করতেন বলে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আর সেই কাজটা করার জন্য যা যা করা দরকার, তাই করতেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আজ যারা গায়ের জোরে ক্ষমতায় রয়েছে, তারা ইভিএমের মাধ্যমে আবার ক্ষমতায় যাওয়ার পাঁয়তারা করছে। তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে, দলীয় নেতাদের লুট করা, লুট করে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করা, ধনী হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। সাইফুর রহমান ইচ্ছে করলে এই সুযোগ করে দিতে পারতেন, কিন্তু একটি লোককেও এই সুযোগ করে দেননি। কেন দেননি, দেশের জনগণের কথা চিন্তা করে।

আজকে দেশের অর্থনীতিকে লুটপাট করে দেউলিয়া করে ফেলেছে বলে দাবি করে মোশাররফ বলেন, সাইফুর রহমান বেঁচে থাকলে তাদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতেন। আমাদের দেশ ও জাতির অধঃপতন হয়েছে। এই লুটেরা সরকার থেকে, ভোট ডাকাত সরকার থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে, দেশের কথা চিন্তা করে তাদের ক্ষমতা থেকে হটাতে হলে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

স্মরণ সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও তিনি আসেনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

Categories
রাজনীতি

নতুন কমিটি ঘোষণা স্বেচ্ছাসেবক দলের

জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় এবং ঢাকা মহানগর কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রে সুপারফাইভ তথা পাঁচ শীর্ষ নেতার নাম ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে তিন সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

রোববার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে কমিটি ঘোষণার কথা জানানো হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি করা হয়েছে এসএম জিলানীকে, যিনি সবশেষ কমিটিতে ১নম্বর সদস্য ছিলেন। আর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রাজীব আহসানকে করা হয়েছে সাধারণ সম্পাদক।

সিনিয়র সহসভাপতি করা হয়েছে আগের কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াছিন আলীকে। সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে, যিনি আগের কমিটিতেও একই পদে ছিলেন।

৫ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়েছে নাজমুল হাসানকে।

সংগঠনটির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখার সভাপতি করা হয়েছে শফিউদ্দিন সেন্টুকে। সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক ওমর ফারুক।
আর স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার সভাপতি করা হয়েছে আনোয়ার হোসেনকে। কমিটির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মোসাব্বির ও  সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদ হোসেন।

এর আগে গত ২০ এপ্রিল জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৩৫২ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।
ওই কমিটিতে সভাপতি করা হয়েছিল মোস্তাফিজুর রহমানকে। সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল আবদুল কাদির ভূঁইয়া জুয়েলকে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার ৫ মাসের মাথায় নতুন কমিটি ঘোষণার করা হলো।

Categories
রাজনীতি

কোনো দলকে ক্ষমতাসীন করতে জাতীয় পার্টির রাজনীতি নয়: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধীদলীয় উপনেতা জনবন্ধু গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতাসীন করতে নয়, আমরা দেশের মানুষের ক্ষমতায়নের জন্য রাজনীতি করছি। কারো লেজুরবৃত্তি করতে জাতীয় পার্টির রাজনীতি নয়। আমরা নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে রাজনীতির মাঠে আছি।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের উত্তরার বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আমরা দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন চাই। আমরা চাই, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীল পরিবেশে রাজনৈতিক চর্চা। এখন প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তিকে শত্রু মনে করা হয়, এটি ঠিক নয়। আমরা সবাই যার যার রাজনীতি করব, কিন্তু সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। আবার দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে আমরা সব রাজনৈতিক দল যেন এক হয়ে কাজ করতে পারি।

এক প্রশ্নের জবাবে জিএম কাদের বলেন, বেগম রওশন এরশাদের নাম ব্যবহার করে তৃতীয় পক্ষ কোনো একটা এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে। তিনি আমাদের শ্রদ্ধার পাত্র, তিনি আমাদের শ্রদ্ধার আসনেই আছেন। তবে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা পার্টির বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না।

এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, রওশন এরশাদ শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি সংসদে অংশ নিতে পারছেন না। বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারছেন না। আবার কখনো কখনো বেগম রওশন এরশাদকে দিয়ে কিছু মহল এমন কিছু বক্তব্য, বিবৃতি ও বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করছেন- যা সার্বিকভাবে দলীয় অবস্থানের বিপক্ষে চলে যাচ্ছে। জাতীয় পার্টির সংসদীয় কমিটির সদস্যরা মনে করছেন, অসুস্থতা ও বয়সের কারণে তিনি বিরোধীদলীয় নেতার ভূমিকা সঠিকভাবে পালন করতে পারছেন না।

এ সময় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ১৯৯০ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি বারবার ক্ষমতায় গিয় দেশে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি ও দলীয়করণের অপসংস্কৃতি শুরু করেছে। দেশের মানুষ এখন আর আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সহিংস রাজনীতি পছন্দ করে না। দেশের মানুষ বিকল্প একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক শক্তি দেখতে চাচ্ছে। আমরা মানুষের সেই প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছি।

Categories
রাজনীতি

আ.লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু রোববার

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত জাতীয় সংসদের ৩৩ গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচন এবং ৬১টি জেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ফরম সংগ্রহের আহ্বান জানিয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।

আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৪ সেপ্টেম্বর (রোববার) থেকে ৮ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার ২০২২) ফরম সংগহ ও জমা দিতে পারবেন। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদনপত্র সংগ্রহ এবং জমা দেওয়া যাবে।

বুধবার আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, সংশ্লিষ্ট নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে এবং কোনো প্রকার অতিরিক্ত লোকসমাগম ছাড়া প্রার্থী নিজে অথবা প্রার্থীর একজন যোগ্য প্রতিনিধির মাধ্যমে আবেদনপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে হবে। আবেদনপত্র সংগ্রহের সময় অবশ্যই প্রার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে আনতে হবে এবং আগামী ৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টার মধ্যে মনোনয়ন ফরম জমা দিতে হবে।

Categories
রাজনীতি

আলতু-ফালতু লোক ঢুকিয়ে দলের বদনাম করবে না: ছাত্রলীগকে প্রধানমন্ত্রী

ছাত্রলীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, গ্রুপ বাড়ানোর জন্য আলতু-ফালতু লোক ঢোকানো যাবে না। তাতে নিজেদের বদনাম, দলের বদনাম, দেশের বদনাম।

বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ছাত্রলীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘ছাত্রলীগ জাতির পিতার হাতে গড়া। আমি জানি, ছাত্রলীগ সম্পর্কে অনেক অনেক কথা লেখা হয়। এত বড় একটা সংগঠন, তার মধ্যে কিছু কিছু তো…আমরা ক্ষমতায় আছি বলে অনেকেই ভেতরে ঢুকে যায়, ঢুকে নিজেরাই গোলমাল করে, বদনামটা ছাত্রলীগের ওপরে পড়ে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগকে বলব সংগঠন করার সময় গ্রুপ বাড়ানোর জন্য আলাতু-ফালতু লোক দলে ঢুকাবে না। তাতে নিজেদের বদনাম, দলের বদনাম, দেশের বদনাম। কারণ আমাদের পেছনে তো লোক লেগেই আছে। লেগেই থাকবে। ছাত্রদল যত অপকর্ম করে গেছে, সেটা নিয়ে কথা নেই। কিন্তু ছাত্রলীগের একটু হলে বড় নিউজ। এটা নিজেদের ঠিক থাকতে হবে।

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের পড়াশোনা করার জন্য নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। জাতির পিতার লেখা ‘আমার দেখা নয়া চীন’, ‘কারাগারের রোজনামচা’, ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়লে অনেক কিছু জানা যাবে বলে জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘সিক্রেট ডকুমেন্ট সবাইকে পড়ার অনুরোধ করছি। যেটা পড়লে অনেক শেখার আছে, জানার আছে। রাজনীতি কররার অনেক জ্ঞান অর্জন করা যাবে।’

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানান সরকার প্রধান। বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় অর্থনীতির অবস্থা ভয়াবহ। আমরা আগে থেকেই যদি সাবধান হতে পারি, তাহলে সামাল দিতে পারব। প্রত্যেকে নিজের ঘরে, হলে, ক্লাস থেকে বের হওয়ার সময় সুইচগুলো বন্ধ করে দিতে হবে। এইভাবে আমাদের বিদ্যুৎ, পানি ও জ্বালানির সাশ্রয় করতে হবে। অহেতুক ঘোরাঘুরি করার দরকার নেই। পায়ে হাঁটলে স্বাস্থ্য ভালো হয়, শরীরচর্চাও হয়।’

বিশ্ব ভয়াবহ বিপর্যয়ের দ্বারপ্রান্তে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রত্যেকে যার যার গ্রামের বাড়ি এবং যেখানে বসবাস করবে, হল কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হোক, তাতে ব্যাপকভাবে গাছ লাগানো, চাষ করা এবং উৎপাদন বাড়াও। কারণ বিশ্বে কিন্তু আরও ভয়াবহ অবস্থা হবে। পয়সা দিয়েও খাবার পাওয়া যাবে না। সেই ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের খাবার নিজেদের উৎপাদন করতে হবে। ছাত্রলীগ যেমন ধান কাটায় সাহায্য করেছে, দরকার হলে ধান রোপণেও সাহায্য করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, চাওয়া-পাওয়ার ঊর্ধ্বে উঠে, ত্যাগ করে এগোতে পারলে সঠিক নেতা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলা যায়। গড্ডলিকাপ্রবাহের মতো অর্থ-সম্পদের পেছনে ছুটলে অর্থ-সম্পদে ভেসে যেতে হয়। এতে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাও থাকে না। দেশকেও কিছু দেওয়া যায় না, মানুষকেও দেওয়া যায় না।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য।

Categories
রাজনীতি

বিএনপি-জামায়াতের ঐক্য অবিচ্ছেদ্য, এটা ভাঙার নয়: তথ্যমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ এমপি বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের ঐক্য অবিচ্ছেদ্য। তাদের এই ঐক্য ভাঙার নয়। ঐক্য আছে এবং থাকবে।

মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে নাটোর উপকেন্দ্রে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন শেষে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের সোমবার সাংবাদিকদের এ  (জোট ভাঙা) বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে নিশ্চুপ থাকা থেকেই এসব কথা প্রমাণ হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৩-১৪ সালের মতো আবারও রাজপথে নাশকতা করা হলে প্রশাসন ও আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বসে থাকবে না।

মন্ত্রী বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালে বিএনপি ও তাদের দোসররা মানুষের উপর আক্রমণ করেছিল, তাদের ওপর পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করেছিল, অবরোধের নামে মানুষের মানবাধিকার লংঘন করেছিল। বিএনপি রাজনীতির নামে আবার যদি ভাঙচুর, বিশৃঙ্খলা, মানুষ হত্যা, জ্বালাও-পোড়াও করে তবে জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধানে সরকার ব্যবস্থা নেবে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নাশকতা প্রতিহত করবে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা।

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের নাটোর উপকেন্দ্র চালু করেন। ওই সময়ে সীমিত আকারে নাটোর উপকেন্দ্র থেকে স্থানীয় অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হতো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজশাহীসহ দেশের প্রত্যেক বিভাগীয় শহরে পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন উপকেন্দ্র স্থাপন করছেন। এসব উপকেন্দ্রে স্থানীয় অনুষ্ঠান ধারণ করে সম্প্রচার করা হবে, যাতে করে স্থানীয় সংস্কৃতি বিকশিত হয়, স্থানীয় শিল্পীরা তাদের পরিবেশনা উপস্থাপন করতে পারেন।

নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস এমপি, বিটিভির মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. সাইফুর রহমান, বিটিভির প্রধান প্রকৌশলী মুনীর আহমদ, নাটোর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম রমজান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী জলি এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন।

Categories
রাজনীতি

গুমের ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত চায় বিএনপি: ফখরুল

গুমের ঘটনায় জাতিসংঘের অধীনে বিএনপি স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত চায় বলে জানিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা সরকার বিএনপি নেতাকর্মীদের গুম করে ভয় দেখিয়ে রাষ্ট্র চালাচ্ছে।’

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুস সালাম প্রমুখ।

মানববন্ধনে সাধারণ নেতাকর্মীদের সঙ্গে অংশ নেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরাও দাবি করছি, অবিলম্বে জাতিসংঘের অধীনে স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত হতে হবে। অন্যথায় ওই সব সরকারপ্রধান যারা অতীতে গুম করেছে, খুন করেছে, তাদের যেভাবে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে, আপনাদেরকে (সরকার) সেইভাবে বিচারের আওতায় আনা হবে।’

এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘কিছুক্ষণ আগে গজারিয়াতে আমাদের ছেলেরা গুম দিবস উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠান করছিল সেখানেও পুলিশ তাদের ওপর আক্রমণ করেছে। সারা বাংলাদেশে ত্রাসের রাজ্যত্ব সৃষ্টি করেছে। ভয় দেখিয়ে গুম করে, খুন করে রাষ্ট্র চালাচ্ছে। এরা এত মিথ্যাচার করে যে, এদেরকে এখন মিথ্যাচারের ওপর একটা নোবেল পুরস্কার দিতে হবে।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখানে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের যিনি প্রধান তিনি কিছুদিন আগে সবার সঙ্গে কথা বলেছেন। কথা বলার পর তিনি মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন, মন্ত্রীদের তিনি বলেছেন এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। প্রতিটি ইস্যু নিয়ে কথা বলেছেন এবং সেগুলোকে এড্রেস করতে বলেছেন। র‌্যাব যে এখানে মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে সেই বিষয়েও কথা বলেছেন। পরে সবশেষে তিনি একটা সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেই সংবাদ সম্মেলনে তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন- বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে, এখানে গুম খুনের অভিযোগ আছে এবং গুম হচ্ছে। বলেছেন এই বিষয়গুলোর জন্য জাতিসংঘের অধীনে একটি স্বাধীন নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত।প্রয়োজনে জাতিসংঘ সবরকম সহযোগিতা-সমর্থন দেবে।’

‘একটি কথা বলেছেন কেউ লক্ষ্য করেছেন কি না আমি জানি না। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সেনাবাহিনী তারা জাতিসংঘের শান্তি মিশনে কাজ করেন। এই শান্তি মিশনে কাজ করে কোনো কর্মকর্তা মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত আছে কি না- তা দেখাও কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব।’

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব পরিষ্কারভাবে বলতে চাই- এই সরকার অহেতুক উদ্বেগ প্রকাশ করার জন্য তারা অভিযুক্ত একজন পুলিশ কর্মকর্তাকে জাতিকে অপমান করে তিন দিনের একটি ভিসা প্রদান করে জাতিসংঘের প্রোগ্রামে নিয়ে গেছে। তারা প্রচার করছে, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে কোনো অভিযোগ করেননি। যা ডাহা মিথ্যা কথা। আপনারা মানুষকে প্রতারণা করছেন। অবশ্যই জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান পরিষ্কার করে বলে গেছেন- মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে, খুন-গুমের অভিযোগ আছে। তার সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন গুম শব্দটি শুনেনি।যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছি তখন ৬০ দশকে শুনেছি ল্যাটিন আমেরিকায় এবং যে সব দেশে মধ্যযুগীয় কায়দায় শাসন চলছিল সেই সব দেশে মানুষ গুম হয়ে যেত। আমাদের স্বাধীনতা, গণতন্ত্রের জন্য ৭১ সালে আমরা যুদ্ধ করেছি। দুর্ভাগ্য আমাদের কি পরিহাস আজকে সেই দেশে আমাদের শিশু সন্তানদের আহাজারি শুনতে হচ্ছে- তারা তাদের বাবাদের ফিরে পেতে চায়। ভাইকে ফিরে চায়, মা তার সন্তানকে ফিরে চায়। আল্লাহ আরশ পর্যন্ত কেপে উঠছে।’

দলের নেতাকর্মীদের আন্দোলনে জেগে উঠার আহ্বান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘গুম হওয়া পরিবারের সন্তানদের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য, তাদের স্বজনদের ফিরিয়ে আনতে আমাদেরকে আরো ত্যাগ স্বীকার করতে হবে। মানুষকে সঙ্গে নিয়ে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। আমাদের যে আন্দোলন হচ্ছে সরকার এখনেই ভয় পেয়ে গেছে। ভয় পেয়ে আবার তার লাঠিয়াল বাহিনী নামিয়ে দিয়েছে। কোনো লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে কাজ হবে না। মানুষ জেগে উঠছে। আজকে এই এই সরকার, আওয়ামী লীগের সরকার গত ১৫ বছর ধরে অধিকারগুলোকে কেড়ে নিয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আসুন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এমন আন্দোলন গড়ে তুলি যে আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে এই ভয়াবহ দুঃশাসন ফ্যাসিবাদ সরকারের পতন ঘটিয়ে সত্যিকার অর্থে একটা মানবতার সরকার, গণতন্ত্রের সরকার, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি।’

গুম হওয়া পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশ্য করে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘তোমরা একা নও, তোমাদের সঙ্গে সারা বাংলাদেশের মানুষ আছে। তোমাদের জন্য সারা বাংলাদেশের মানুষ লড়াই করবে।’

Categories
রাজনীতি

আবারও হাসপাতালে যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে আজ সন্ধ্যায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

রোববার সকালে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান টেলিফোনে যুগান্তরকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সন্ধ্যায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। মেডিকেল বোর্ডের সুপারিশ অনুযায়ী পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত সোমবার বিকালে এভারকেয়ার হাসপাতালে যান খালেদা জিয়া। সন্ধ্যা ৭টা ৮ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরেন। পরদিন মঙ্গলবার তার চিকিৎসার সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করতে বৈঠক করেন মেডিকেল বোর্ড সদস্যরা।

৭৮ বছর বয়সি খালেদা জিয়া বেশ কিছু রোগে ভুগছেন। তার আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক জটিলতা রয়েছে। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্তও হয়েছিলেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন বকশীবাজার আলিয়া মাদরাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ আদালত। রায় ঘোষণার পর খালেদাকে পুরান ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরোনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রাখা হয়।

ওই বছরের ৩০ অক্টোবর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে আরও পাঁচ বছরের সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। একই বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদার সাত বছরের সাজা হয়।

দীর্ঘদিন কারাভোগের পর তিনি সরকারের নির্বাহী আদেশে বাসায় অবস্থান করছেন।

Categories
রাজনীতি

দুঃসময় কেটে যাবে: ওবায়দুল কাদের

দেশে বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ চলমান অর্থনৈতিক সংকট শিগগির কেটে যাবে এবং সুদিন ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেছেন, গুজবে কান দেবেন না। বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্ট দুঃসময় কেটে যাবে, সুদিন ফিরে আসবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রাখুন।

রোববার সকালে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ওবায়দুল কাদের তার বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে যুক্ত হন।

তিনি বলেন, বিএনপি ও তার দোসররা টাকার বিনিময়ে নানা ধরনের ফ্রন্ট করে দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পায়তারা করছে। বিএনপি জানে নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে সরানো যাবে না, সেজন্য তারা ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছে।

রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ আলী কামালের সভাপতিত্বে শোকসভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এবং রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ডাবলু সরকার প্রমুখ।

Categories
রাজনীতি

সরকার পতন বিএনপির দিবাস্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয়: ওবায়দুল কাদের

দেশ আর জনগণকে নিয়ে ভাবে না বিএনপি। তাদের লক্ষ্য হলো ক্ষমতা। সরকার পতন মানে ক্ষমতা। এটাই তাদের লক্ষ্য। সরকার পতন দিবাস্বপ্ন ছাড়া কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪৬তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত জাতীয় কবির সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গত ১৩ বছর ধরে সরকার পতনের কথা শুনে আসছি। দিন, কাল, ক্ষণ, রোজার ঈদ, কোরবানির ঈদ, পরীক্ষা এসব অনেকবার শুনেছি যে, এর পরপরই আন্দোলন হবে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে এদেশে আজকে অসাম্প্রদায়িকতার কথা বলে সাম্প্রদায়িক শক্তির পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে। আজকে গণতন্ত্রের নামে মুক্তিযুদ্ধের নামে এই বর্ণচোরা মুক্তিযোদ্ধা, বর্ণচোরা সাম্প্রদায়িক শক্তি, বর্ণচোরা গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিকে চিহিৃত করতে হবে। তাদেরকে প্রতিরোধ করতে হবে, পরাজিত করতে হবে।

জাতীয় কবিকে নিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম যৌবনের কবি, বিদ্রোহের কবি, প্রেমের কবি, ব্যাথার কবি। তার মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি।

কাজী নজরুল ইসলাম মৃত্যুর এত বছর পরও প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম শুধু সমকালের নন, তিনি সর্বকালের। আমরা আজকে তাকে বেশি করে মনে করব তার অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনার জন্য। এই অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী চেতনার জন্য বঙ্গবন্ধু থেকে যে সংগ্রাম শুরু হয়েছিল সে লড়াই আমরা চালিয়ে যাচ্ছি।